Monday

Annual General Meeting of ABC held at Chandannagore on 04 Dec 2011


Amidst much enthusiasm and hope for better working atmosphere as well as professional facilities, the annual conference of the Association for Better Communication (ABC) was held at Jtotirindranath Sabhagar of Chandannagore on 04 December 2011 when a new Executive Committee was formed comprising of 15 members for another one year.
Here are  a brief report of Annual General Meeting by Smarajit Pramanick, and the photographs taken by Arunabha Mitra.

Sunday

সরকারের সঙ্গে সেতুবন্ধনের চেষ্টা না করাটাই শিল্পী এবং শিল্পের পক্ষে মঙ্গলজনক – বিভাস চক্রবর্তী


(বিশিষ্ট নাট্য পরিচালক অভিনেতা শ্রী বিভাস চক্রবর্তী-র সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম আমরা। মূল্যবান সেই আলাপ রইল এখানে)

এবিসি আপনার ব্যক্তিজীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা বলুন।
বিভাস আপনরা তো কর্মচারী সংগঠন। তাই আমার চাকুরি জীবনের কিছু ঘটনার কথা বলি? হাইকোর্টে এক বছর চাকুরি করে ১৯৫৮-তে এ জি বেঙ্গলে। এখানে চাকুরিরত থাকাকালীন তিন-তিনটি কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের ধর্মঘটে যোগ দিয়েছি- ১৯৬০, ১৯৬৮, ১৯৭৪ সালে। প্রথমবার তো শাস্তি হিসেবে একমাসের বরখাস্তের নোটিস ধরিয়ে দিল। এক মাসকাল এদিক-ওদিক দরখাস্ত পাঠিয়ে চাকরির সন্ধান চলল। জুটেও গেল একটা শিক্ষকের চাকরি – বাটানগর হাইস্কুলে ভূগোলের মাস্টার। ভূগোল আমার অনার্সের বিষয় ছিল। যাই হোক, সমাজবাদী জামাতা ফিরোজ গান্ধীর মধ্যস্থতায় অশোক মেহতার ওপর নেহেরুজির ক্রোধ খানিকটা উপশমিত হল, ফলত শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও প্রত্যাহত হল। আমারও চাকরি ছাড়তে হল না। ১৯৭৪-এ রেল ধর্মঘটে অন্য কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীরাও শামিল হয়েছিলেন। মাত্রারিক্ত দমনপীড়নে সে ধর্মঘট ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। শাস্তি ব্রেক ইন সার্ভিস। পরে বলা হল মুচলেকা দিলে শাস্তি মুকুব করা হবে। আমি ইতিমধ্যে প্রপার চ্যানেলে কলকাতা টেলিভিশনে প্রযোজকের চাকরীর জন্য দরখাস্ত করে দিয়েছিলাম। লিখিত পরীক্ষা (কনসেপচুয়াল টেস্ট) এবং ইন্টারভিউ পর নির্বাচিত হলাম। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পাঠিয়ে দেওয়া হল পুণের ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইন্সটিটউটের টেলিভিশন উইং-এর প্রশিক্ষণের জন্য। কিন্তু আমার বকেয়া শাস্তির কি হবে? আমি তো মুচলেকা দিইনি! এজি অফিস থেকে চিঠি গেল, মুজরিম কো আভি ওয়াপস ভেজো। কেন জানি না, কেন্দ্রের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এজি অফিসের সেই দাবি অগ্রাহ্য করল। আমি মুচলেকা না দেবার জেদ বজায় রেখেও বেঁচে গেলাম। ছয় মাসের ট্রেনিং - এর পর কলকাতা প্রত্যাবর্তন এবং ১৯৭৫ –এর ৯ই অগস্টে কলকাতা টি ভি সেন্টারের (দূরদর্শন নামটা অনেক পরে দেওয়া হয়েছ।)সম্প্রচার শুরু। আমরা ছিলাম স্টাফ আর্টিস্ট – আমাদের কণ্ট্রাক্ট এক বছর অন্তর অন্তর রিনিউ করা হত। তিন বছরের মাথায় স্থায়ী কন্ট্রাক্ট দেবার কথা। সবাইকে দেওয়া হল,আমারটাই শুধু আটকে গেল। তখনকার কেন্দ্র অধিকর্তা মীরাদি (মীরা মজুমদার) ডেকে বললেন, তোমার নামে তো পুলিশ রিপোর্ট আছে, তাই দিল্লীর অফিস তোমাকে স্থায়ী কন্ট্রাক্ট দিচ্ছে না। কোন কংগ্রেসি নেতা-টেতার সঙ্গে আলাপ-পরিচয় আছে? তাদের ধরতে পারবে? আমার তো তেমন কারও সঙ্গে পরিচয় নেই! মীরাদি শুনে খানিকটা বিরক্ত হয়েই বললেন, তাহলে কার সঙ্গে আছে? আমি ফট্ করে বললাম, সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে। মীরাদি ওঁকেই বলতে বললেন। মানিকদা আমার সমস্যার কথা শুনেটুনে বললেন, কাকে বলতে হবে? মানুকে (সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়) বললে হবে? আমি বললুম, হ্যাঁ। তার মাসখানেকের মধ্যেই আমার স্থায়ী কন্ট্রাক্ট বেরিয়ে এল।

এবার চাকরী ছাড়ার কিস্সাটা বলি?
বাজারে সবাই জানত আমি বামপন্থী মানুষ। দূরদর্শনের কর্তাব্যক্তিদেরও সেরকমই ধারণা। তখন আমাদের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অজিত পাঁজা। তাঁর কানে গেল যে এই লোকটা কমিউনিস্ট এবং ইউনিয়ন টিউনিয়ন না থাকলেও দূরদর্শনের কর্মীরা এর কথা মান্যটান্য করে। মাঝে মাঝে অতি সূক্ষভাবে লোকটি তার সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান দর্শকের দরবার এ দূরদর্শনের কেন্দ্রীয় কর্মকর্তা ও তাঁদের কিছু সিদ্ধান্ত সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে। একে কলকাতা থেকে সরাতেই হবে। চক্রান্তে যোগ দিল কলকাতার একটি বাংলা দৈনিক, আমার পিছনে উঠে পড়ে লাগল, নানাবিধ কুৎসা এবং প্রচার চলল। ক্ষেত্র প্রস্তুত হবার পর দিল্লীতে বদলির হুকুম। আমি বললাম, মানি না তোমার হুকুম – হয় কলকাতায় থাকব, নয়ত স্বেচ্ছা-অবসর। টানাটানি চলল একবছর। একজন মন্ত্রীর সঙ্গে একক ব্যক্তিগত লড়াই করে পারে একজন সাধারণ কর্মচারী? তাই এক বছরকাল বাড়ীতে বসে রইলাম। শেষ পর্যন্ত নির্দ্ধারিত অবসরের আট বছর আগেই ১৯৮৮-এর নভেম্বর থেকে সরকার আমার স্বেচ্ছা-অবসর মেনে নিতে বাধ্য হল। বেতন কমা, প্রমোশন, পেনশন বাবাদ প্রচুর ক্ষতি হল, কারণ কলকাতা দূরদর্শনে আমি ছিলাম সিনিয়রিটি-কাম-মেরিট তালিকায় প্রথম। আমাদের কেন্দ্র-অধিকর্তা বা দিল্লীর ডি.জি ভাস্কর ঘোষ অনেক বোঝাবার চেষ্টা করলেন। ভাস্করবাবু এমনও বললেন- দেখেছেন তো, এশিয়ান গেমসের সময় দিল্লীর দক্ষ পুলিশ কমিশনারকে কিভাবে সর্বসমক্ষে হেনস্থা হতে হল বেসরকারী ব্যক্তি রাজীব গান্ধীর হাতে। ন্যায়-অন্যায় যাই হোক, এসব ক্ষেত্রে রাজনীতিকদের কথাই শেষ কথা! কিন্তু বাঙ্গালে গোঁ যাবে কোথায়? নিজের নাক কেটে নিজেরই যাত্রাভঙ্গ করলাম।

সাধে কি ওরা আমাকে কমিউনিস্ট ভেবেছিল!
১৯৮২-তে এশিয়ান গেমস। বিপুল কর্মকান্ড। দূরদর্শন কভারেজ পুরোটাই নিজেদের করতে হবে, প্রচুর টাকার বরাত দিয়ে বিদেশী প্রাইভেট সংস্থাকে ডেকে আনার কোন সিন নেই তখন, আর্থিক কেলেংকারীরও তেমন সুযোগ নেই। বহুদিন আগে থাকতেই সারা ভারত থেকে বাছাই করা দূরদর্শনকর্মীদের পালা করে দিল্লী গিয়ে ট্রেনিং নিতে হত। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে কর্মী এসোসিয়েশনগুলি বোনাসের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে দিল। তাঁরা আকাশবাণী ভবনের (ওখনেই দূরদর্শনের কর্মকেন্দ্র) সামনে ধর্নায় বসে পড়লেন। রোজই যেতে আসতে দেখি। গেমস শুরু হবার আগের দিন, অর্থাৎ ১৮ই নভেম্বর ভোরবেলায় দিল্লীর পুলিশ আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চালান করে দিল। নেতারা এইরকম একটা সংকটে পড়ে গ্রেপ্তার বরণের ডাক দিলেন। কিন্তু তেমন সাড়া পাওয়া গেল না। কারণ, দূরদর্শনে যাঁরা চাকরী করেন তাঁদের বেশীরভাগ এইসবে বিশ্বাসও করেন না, অভ্যস্তও নন। যদিও আমরা বোনাসের আওতায় পড়ি না, তবুও প্রমাদ গুণলাম এই কারনে যে গ্রেপ্তার –হওয়া কর্মীরা তো গেমস চলাকালীন ছাড়া পবেনই না, বরং গেমস শেষ হয়ে গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবার সম্ভাবনা থেকে যাবে – সুতরাং জোটবদ্ধ না হলে উপায় নেই।
আমি কলকাতা কেন্দ্রের সহকর্মীদের বললাম, চল আমরা গ্রেপ্তার বরণ করি। আমি এখনও গর্ববোধ করি যে আমার এক ডাকে সহকর্মীরা রাস্তায় দাঁড় করানো পুলিশের বাসে গিয়ে উঠে বসেছিল সেদিন। আমাদের দেখাদেখি স্রোত বইতে শুরু করল, দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা কয়েক শত দূরদর্শনকর্মী গ্রেপ্তার বরণ করলেন। তারপর পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার ভিতরের মাঠে আমাদের আটকে রাখা হল। সবাই হাসি, ঠাট্টা, গানে কাটিয়ে দিলাম বেশ খানিকটা সময়। একেবারে বিকেলের দিকে নাম ডেকে ডেকে বাসে উঠতে বলা হল, আমাদের এবার তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হবে। শুনে সবার চক্ষু চড়কগাছ! আমার খুবই প্রিয় কলকাতার দুই সহকর্মী অশ্রুসজল চোখে কাতরভাবে বলল – বিভাসদা, আমরা তো জেলে যাবার জন্য আসিনি, আমরা এসেছি এশিয়ান গেমস কভার করতে। আমি বললাম-বেরিয়ে যখন পড়েছি ভাই, থামশলে তো আর চলবে না! অবশেষে তিহার জেলেই ঢুকতে হল। আর সেটি একটি দ্রষ্টব্য স্থান বটে!
আমাদের ওয়ার্ডের দিকে হাঁটছি, এমন সময় অফিসার গোছের একটি লোক আমাদের লক্ষ্য করে ইংরেজীতে জিজ্ঞেস করল, বিভাস চক্রবর্তী কে? বুকটা ধক্ করে উঠল। কিন্তু আমার মধ্যে তখন নেতা-র ভর হয়েছে, তাই ভয় পেয়েছি দেখালে তো চলবে না। এগিয়ে গিয়ে বললাম-আমি, কিন্তু কেন? উত্তর এল, আপনি আমার সঙ্গে একটু আসুন। আমার সহকর্মীদের মধ্যে কয়েকজন তক্ষুনি আমাকে আড়াল করে দাঁড়াল। বললে- না, আমরা যেতে দেব না। উঁনি গেলে আমারাও সঙ্গে যাব। ওদের মত আমার মনেও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে – একা সরিয়ে নিয়ে গিয়ে হয়ত......! অনেক বাদানুবাদের পর লোকটি বলল- ওঁনার বড় ভাই বিকাশ চক্রবর্তী (আমার দাদা তখন দিল্লী প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ অফিসার) আমাকে জানিয়েছেন, আমি যেন ওঁনার দেখভাল করি। আমাদের ধড়ে যেন প্রাণ এল। বললাম, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার দাদাকে বলবেন- আমি আমার সহকর্মীদের সঙ্গেই থাকব, কোন অসুবিধা হবে না। ভদ্রলোক হাল ছাড়লেন। আমরাও ব্যারাকে প্রবেশ করে যে যার জায়গা বেছে নিয়ে নিচে কম্বল, ওপরে কম্বল দিয়ে শুয়ে পড়লাম। আমাদের পাশেই ছিল অভিজিৎ দাশগুপ্ত। হঠাৎ কোথ্থকে ক্যামেরাম্যান বিমান সিংহ ভগ্নদূতের মত ছুটে এসে হাঁউমাঁউ করে খবর দিল – বিভাসদা, ওরা বলছে আমাদের নাকি গেমস শেষ হবার আগে ছাড়বে না! ভিতরে কাঁপুনি, কিন্তু বাইরে একটা ডোন্ট কেয়ার ভাব দেখিয়ে বললাম - ছাড়বে না তো ছাড়বে না, শুয়ে পড় দিকি। শুয়ে পড়ার খানিকবাদে হঠাৎ চারপাশে চিৎকার – ছেড়ে দিয়েছে, ছেড়ে দিয়েছে! সেই শেষরাত্রে তিহার জেল থেকে ছাড়া পেলাম আমরা। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে এশিয়ান গেমস-১৯৮২।

এবিসি- আপনার ভাবনায় শিল্পের শৈল্পিক দিক নির্ধারণ কে করবেন? শিল্পী নিজে, সাধারণ মানুষ, নাকি কোন বিশেষ প্রতিষ্ঠান? এটি নির্ধারণ হবে কিভাবে? দর্শক, পাঠক না শ্রোতা – শিল্পের উৎকর্ষ নিয়ে শেষ কথা বলবেন কে?
বিভাস- শিল্পস্রষ্টাই তাঁর শিল্পের নির্ধারক। পরোক্ষভাবে তাঁর সৃজনভাবনা নির্ধারণ করে মানুষ সম্পর্কে তাঁর উপলব্ধি, নাটকের ক্ষেত্রে তাঁর নির্দিষ্ট দর্শকমণ্ডলীর চেতনার স্তর এবং সেই সম্পর্কে তাঁর ধারণার সঠিকতার উপর। শেষ কথা কেউই বলতে পারেন না। শিল্পটা তো আর অঙ্ক নয় যে সবসময় একই উত্তর মিলবে।

এবিসি- বর্তমান সময়ে যুগের চাহিদা, প্রত্যয়ের সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে প্রথাগত শিক্ষার গুরুত্ব কতটা?
বিভাস- প্রথাগত শিক্ষা এড়িয়ে ক কোন উপায় নেই, কাজের কথাও নয়। তবে জীবনে বিকল্প শিক্ষার প্রয়োজন অতি আবশ্যক। প্রতিষ্ঠান-নির্ধারিত পথকেই একমাত্র পথ বলে মেনে নিলে জীবন, মানুষ এবং তাঁর ইতিহাসকে কখনই সম্যক বোঝা যেতে পারে না।

এবিসি- সংস্কৃতি চর্চার আঙিনায় শিল্পের প্রচার ও প্রসার কতটা জরুরী?
বিভাস- প্রকৃত শিল্পের, সুস্থ শিল্পের – প্রচার ও প্রসার অবশ্যই জরুরী। তা না হলে তো আগাছায় ভর্তি হবে সংস্কৃতির আঙিনা। চারিদিকে তাকালে তাই তো দেখা যাচ্ছে। ভালো চলচিত্র, ভালো যাত্রা-থিয়েটার, ভালো গান-বাজনার প্রচার বা পৃষ্ঠপোষকতা তো আর তো আর তেমনভাবে দেখা যায় না। তার জায়গা নিয়েছে অশ্লীল, অস্বাস্থকর নোংরা বিনোদন-এই যুক্তিতে যে, বাজার তা-ই চায়। বিকল্পের সন্ধান বা উদ্ভাবন করতে হবে এবং তার প্রচার ও প্রসারের কথাও ভাবতে হবে।

এবিসি- সরকারের কর্মচিন্তার সঙ্গে রাজ্যবাসী কতটা একাত্মবোধ করতে পারেন বা কতটা পারা উচিৎ?
বিভাস- তার আগে তো মানুষকে জানতে হবে সরকার কি ভাবছেন। মানুষের কাছে সেই ভাবনাগুলো পৌঁছতে হবে, তার রূপায়ণও তাকে প্রত্যক্ষ করতে হবে। মানুষ একাত্মবোধ করতে পারে তখনই, যখন এবং যদি সে অনুভব করে যে সরকারের কর্মচিন্তা মানুষের মঙ্গলার্থেই রচিত এবং রূপায়িত হচ্ছে।

এবিসি- জনসংযোগের ক্ষেত্রে শিল্পকে কিভাবে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা যায়? শিল্পকে কিভাবে সংযোগের ভাষা হিসেবে প্রকাশ করা যায়?
বিভাস- শিল্পকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার অর্থই হচ্ছে তার ওপর একধরণের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা। বাম জমানায় লোকশিল্প মরে গিয়ে মূলত বিবিধ সরকারী প্রকল্পের প্রচারের বাহন হয়ে উঠেছিল। তাতে তার সৃষ্টির স্বতস্ফূর্ততা, নান্দনিকতা এবং শিল্পীর স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হয়েছে, ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এমনিতে তো সব স্রষ্টাই তাঁর শিল্পের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতেই চান।

এবিসি-সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সংযোগের সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে শিল্পীর নিজের কিছু অনন্য ভাবনা আছে কি? থাকলে, সে সম্পর্কে দু চার কথা বলুন।
বিভাস- প্রকৃত জনগণমঙ্গলদায়ক আদর্শ সরকার তো  মানুষ কোনও দিনই পায় নি, পাবেও না। তাই সরকারের সঙ্গে সেতুবন্ধনের চেষ্টা না করাটাই  শিল্পী এবং শিল্পের পক্ষে মঙ্গলজনক।

এবিসি- সংস্কৃতির বিকাশে পশ্চিমবঙ্গকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে কোন বিশেষ ভাবনার কথা বলুন। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের কি ভূমিকা থাকা উচিৎ?
বিভাস- আবারও বলছি, সরকারের বিচার – বিবেচনার অভাবে বাংলা সাধারণ রঙ্গালয়, বাংলা প্রেক্ষালয়, বাংলা মাধ্যমের স্কুল তো আজ লুপ্ত হয়ে গেল। বাংলা ভাষার ভবিষৎও খুব একটা উজ্জ্বল নয়। সব সকিছুকেই বাজারের হাতে ছেড়ে দিয়ে বসে ছিল আমাদের বাম সরকার, বর্তমান সরকারও কি করবে আমাদের জানা নেই।

এবিসি- মানুষ নির্মাণ করে প্রয়োজনে, আর সৃষ্টি করে আনন্দে। একজন শিল্পী তাঁর সৃষ্টিশীল কাজ কিভাবে জনমানসে ধরে রাখতে চাইবেন?
বিভাস- শিল্পী চাইবেন, অনেক মানুষ উপভোগ করুক তাঁর শিল্প, অনুভব করুক তাঁর ভাবনা-চিন্তা। জনগণের কাছে পৌঁছনোর কিংবা জনমানসে ধরে রাখার দায়িত্ব তো নেবে সমাজ। আমাদের সমাজ কি তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন, নাকি সেও বাজারের কাছে আত্মসমর্পন করে বসে আছে। জনমানসে সংস্কৃতির নামে অন্য কিছু পৌঁছে দেবার দায়িত্ব পালন করছে এই সমাজ – সজ্ঞানে অথবা অজ্ঞতায়।

If you have face in difficulty in seeing the content please download Bengali font here after observing all formalities.

Wednesday

২২শে শ্রাবণের ভোরে আরামবাগেও পায়ে পায়ে হাঁটবে মানুষ।


আরামবাগে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের ২২শে শ্রাবণের আমন্ত্রপত্র।


Monday

প্রয়াত সেরিনা জাহান

Serina Jahan


বড় অসময়ে চলে গেলেন সেরিনা জাহান। ২০০০ সালে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগে সম্পাদকীয় শাখায় সহ-সম্পাদক পদে যোগ দেওয়ার পর গত বছর সহ-তথ্য আধিকারিক হিসাবে পদোন্নতি পান। কিছুদিন আগে সেরিনা ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। তীব্র রোগযন্ত্রণার মধ্যেও তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করে গেছেন নিষ্ঠাভরে।গত ১৩ জুন ২০১১-য় মাত্র ৪৪-এ নিতান্ত অকালে সবাইকে ছেড়ে চিরবিদায় নিলেন সেরিনা। রেখে গেলেন অগণিত গুণমুগ্ধ আত্মীয়-বান্ধব-সহকর্মী।

তাঁর সন্তপ্ত পরিজনদের জন্য রইল আমাদের আন্তরিক সমবেদনা।

বাঙালিয়ানার সম্মান দেয় অন্যরা, তবে আমরা কেন ভুলে যাই - প্রশ্ন করলেন সাহেব চট্টোপাধ্যায়






Sunday

Book reading may resist our cultural decadence hopes Arambagh Book Fair

The sun is about to set, while the drops of winter falls off our mind, inauguration bell calls the book lovers of Arambagh sub-division in the playground of Arambagh High School where Hooghly district book fair is being held. Eminent Bengali novelist Abul Basar enkindles the lamp to get lights of knowledge to the children of wisdom this evening.

Naren Dey, MIC, Agriculture & Consumer Affairs  


In a thought provoking speech Naren Dey, MIC, Agriculture & Consumer Affairs expresses his deep concern over the increasing addiction of young generation to audio-visual entertainment instead of book reading. Unless the trend is somehow changed, our cultural future will be gloomy in near future, he opines. Prof. Sudarshan Roy Chowdhury, MIC, Higher Education requests people to pass their leisure times with books while addressing the dignified audience assembled to view the opening ceremony of the Arambagh Book Fair jointly initiated by the Raja Rammohun Library Foundation and the department of Library Services of the Government of West Bengal.
Sitting on a nicely decorated stage where cut outs of the great poet Rabindranath Tagore and scientist Prafulla Chandra Roy are garlanded as a tribute to their 150 years of birth, Abul Basar reveals the dynamic personality of  Tagore which makes the listeners spell bound including Shakti Mohan Malik, MP; Binoy Dutta, MLA; Santasree Chatteree, Ex-MP; Mozammel Hosain, Karmadhakshya, Hooghly Zila Parishad; Gopal Kach, Chairman, Arambagh Municipality; Ashima Kundu, Sabhapati, Arambagh Panchayat Samity and others. A book of poems written with the mournful personal experience by Saraswati Bhin is unveiled here. Sub-divisional Magistrate Arindam Niyogi has also graced the occasion. Pradip Saha, Sabhadhipati, Hooghly Zila Parishad has presided over the entire ceremony.  
It being a holiday, the commoners already come here in good number and start purchasing books from the stalls like National Book Trust, National Book Agency, Sahitya Academy, Anima Prakshani, Ebong Mushaera,  Arambagh Times, Patra’s etc. In the evening of each date till 18 December, the visitors will experience many a good cultural programme presented mainly by the local artistes.   
Reported by: Bhaskar jyoti Bera.

Wednesday

কিশোর মনের অনুভবে শেষ হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের ১৫০ বছর স্মরণে আয়োজিত হুগলী জেলা শিশু-কিশোর উৎসব



রবীন্দ্রচর্চ্চা বেড়েছে, কিন্তু নিজেদের জীবনে তার প্রকাশ হচ্ছে কতটুকু - জরুরী এই প্রশ্নটি উদ্বোধনী ভাষণে শুধিয়েছিলেন জেলা সভাধিপতি প্রদীপ সাহা, গত ৬ ডিসেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের সার্ধশতবর্ষ স্মরণে চুঁচুড়া রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত হুগলী জেলা শিশু-কিশোর উৎসবের আনন্দমঞ্চে। স্বাগত ভাষনে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এবং উপস্থিত তিন যশস্বী শিশু-সাহিত্যিক ননী মুখার্জী, কার্তিক ঘোষ ও দিলীপ বাগের ভাষনেও অনুরণিত হল সেই সুর। বাকী দু'দিন ধরে জেলার সকল প্রান্ত থেকে আগত প্রায় দুই শতাধিক শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা সেই প্রশ্নে ভাবিত হয়ে মেলে ধরলেন নিজেদেরকে। কবির প্রতিকৃতি বসে আঁকা সহ আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্যের চারটি পৃথক, পৃথক আঙ্গিকে 'ক' বিভাগে পাঁচ থেকে নয়  আর 'খ' বিভাগে নয়ের বেশী থেকে ষোলো বছর বয়স পর্যন্ত শিশু, কিশোর-কিশোরীরা প্রতিযোগিতাহীন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বিকশিত করলেন তাঁরা রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কি ভাবছেন সেই সব।

আরামবাগ, শ্রীরামপুর, চন্দননগর, হুগলী সদর মহকুমার নামী বিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিভাগপিছু একজন করে সর্ব্বোত্তম কুশলী এই উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই রেওয়াজী কণ্ঠ মুগ্ধ করেছে উপস্থিত শ্রোতৃমণ্ডলীকে। নৃত্যের নিক্কনে স্পষ্টতই মূর্ত্ত হয়েছে রবীন্দ্রনৃত্যশৈলীর পেলবতার সঙ্গে ধ্রুপদীনৃত্যশৈলীর নিবিড় বিনিময়। প্রত্যেকে প্রংশসাপত্র দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রতিটি অংশগ্রহণকারীকে পূর্বনির্দিষ্ট হারে রাহা খরচ দেওয়া হয়েছে। 

পরিবেশনকারীদের মধ্য থেকে উপস্থিত গুণীজনদের মতামতের ভিত্তিতে বসে আঁকো-র 'ক' বিভাগ থেকে সৃজিতা দাস, 'খ' বিভাগ থেকে রুমিতা দত্ত; আবৃত্তির  'ক' বিভাগ থেকে রণিতা দাস, 'খ' বিভাগ থেকে সময়িতা রক্ষিত; সঙ্গীতের 'ক' বিভাগ থেকে বর্ষা দে, 'খ' বিভাগ থেকে সৃজনী ঘোষ এবং  নৃত্যের 'ক' বিভাগ থেকে স্নিদ্ধা দাস, 'খ' বিভাগ থেকে সহেলী রায় রাজ্য শিশু-কিশোর উৎসবে হুগলী জেলার প্রতিনিধিত্ব করবেন।


৬-৮ ডিসেম্বর- এই তিনটি দিনে  কচি-কাঁচারা সৃষ্টিশীল কলাপ্রদর্শনের মধ্য দিয়ে নিজেদের উৎকর্ষতা বাড়িয়ে নিতে পেরেছেন বলে শিক্ষক-অভিভাবকগণ ধন্যবাদ জানিয়েছেন এ হেন উদ্যোগের প্রতি। কিন্তু আমরা কৃতজ্ঞ 'বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন' সেই সব শিশু-কিশোরদের কাছে, যাঁরা সূদুর আরামবাগ, রিষড়া থেকে পথশ্রমের অসীম কষ্ট উপেক্ষা করে অতি উচ্চমানের কলা পরিবেশনে ধন্য করেছেন আমাদের অন্তর্জগতকে।

প্রতিবেদনঃ লিপিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

 # Please download AVRO Bengali font from 'Useful Links' to avoid difficulty in seeing the report properly.

Monday

Durgapur IT park reboots shinning Bengal

CM inaugurates IT Park
With land reforms and care for the marginal farmers we get landmark achievements in the field agriculture. Simultaneously, we are aiming to establish manufacturing units more. We have started comparatively late in the Information Technology sector to Hyderabad or Bangalore. But the skilled human resource of this state has been making it possible to reach a commendable position in the whole country in a short time says Chief Minister Buddhadeb Bhattacharjee while inaugurating the Durgapur IT park this morning. This dream project keeps rolling with a promise to ‘plug and play’ that will provide the necessary support to the small investors as well.  


CM hears IT Minister
 The six storied flashy building near to city centre has a space of around 56142 sq.ft which promises to provide at least 600 direct job opportunities which will bear the scope of another 2400 jobs indirectly according to the statistics of NASSCOM since it calculates one IT job means four more employments ultimately.

Among the other dignitaries, Minister-in-Charge of IT & Bio-Technology Dr. Debesh Das, Mayor of Durgapur Municipal Corporation Rathin Roy, Principal Secretary of the IT & Bio-Technology Department Basudev Banerjee, District Magistrate Onkar Singh Meena also grace this august ceremony. After this, the commoners are looking forward to be with the Siliguri IT park which will be formally operative soon. And that is not the end. Bio-Technology is the next which may open the flood gates for job seekers in the days coming in no time.  

 Photo: Kaushik Barua
Imputs : Samapti Dutta

Sunday

রাজপুর - সোনারপুরে অনন্য এক রবীন্দ্র-সন্ধ্যা

রবীন্দ্রনাথের ভাঙা গানের সুরে মানুষকে বিভোর করে রাখলেন পাপিয়া চক্রবর্তীর পরিচালনায় বারুইপুর লাবণ্য সঙ্গীত শিক্ষা -নিকেতনের শিল্পীবৃন্দ।
রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার অন্তর্গত শহীদ দাশুমতি ভবন প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যস্তরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবর্ষ উদ্ যাপন কমিটি  এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে সম্প্রতি আয়োজিত এক রবীন্দ্র-সন্ধ্যায় আবৃত্তি, রবীন্দ্রসঙ্গীত, রবীন্দ্রনৃত্য, শ্রুতিনাটকে অংশ গ্রহণ করেন কলকাতা ও দক্ষিন চব্বিশ পরগণার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রথিতযশা ও উদীয়মান কুশলীবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়, টুম্পা রায়, নমিতা মজুমদার, সর্বাণী সান্যাল বৈদ্য, বিপ্লব ঘোষ, সুমনা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। রবীন্দ্রকবিতা আবৃত্তির এক   উপভোগ্য কোলাজ উপস্থাপন করেন স্তবক আবৃত্তি সংস্থা। ক্যানিং এর দিশারী নৃত্যমন্দির, বারুইপুরের নৃত্যাঙ্গন শিল্পীগোষ্ঠী, ফলতার সঙ্গীতচক্রের নিবেদন মানুষের মন কেড়েছে।সমীর চরিতের পরিচালনায় সোনারপুরের রূপসী বাংলা সাংস্কৃতিক চক্র যখন 'ঘরে-বাইরে' শ্রুতিনাটক পরিবেশন করছেন তখনও মুগ্ধ শ্রোতারা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সঞ্চালনা করেন নিমাই চন্দ্র মন্ডল এবং রুষা মিত্র।

 অনুষ্ঠানে প্রারম্ভিক 
ভাষনের মধ্য দিয়ে জেলা তথ্য
ও সংস্কৃতি আধিকারিক কাজল 
ভট্টাচার্য আন্তরিকভাবে বরণ করে নেন সভাধিপতি সামিমা সেখ,
 সহকারী সভাধিপতি মানবেন্দ্র মন্ডল, কর্মাধ্যক্ষ্য সুরঞ্জনা চক্রবর্তী, মুজিবর আলি মোল্লা, সোনারপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্মল মন্ডল প্রমুখ গুণীজনকে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষে সকলেই 'রবীন্দ্রনাথের পল্লীচিন্তা'  শীর্ষক পোস্টার প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন।

প্রতিবেদক - অরুণাভ মিত্র। 

 # Please download AVRO Bengali font from 'Useful Links' to avoid difficulty in seeing the report properly.

Thursday

আরামবাগে গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প চাঙ্গা করতে কর্মশালা করলেন মহকুমা শাসক

খেটে খাওয়া মানুষের আয় সুনিশ্চিত করতে সময়োচিত ব্যবস্থা নিল আরামবাগ মহকুমা প্রশাসন। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান সুনিশ্চয়তা প্রকল্পের কাজ  প্রান্তিক মানুষের কাছে যাতে আরো বেশী করে পৌঁছয়, সেই উদ্দেশ্যে  আজ দুপুরে আরামবাগ রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় মহকুমার ৬৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যেকটির প্রধান এবং দু'জন করে কর্মীকে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে উদ্দীপিত করা হয়।ঠিক হয় প্রথম পর্যায়ে অন্তত ৭৮ দিন কাজ দিতে হবে।কাজের জায়গায় শিশুদের দেখভাল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে।এমনকি অস্পষ্টতা এড়াতে নির্দিষ্ট স্থানে সংক্ষিপ্ত বিবরণ সম্বলিত বোর্ড লাগাতেই হবে।সভায় ৬টি ব্লকের চারজন করে কর্মীকেও প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।

কর্মশালায় প্রধানগণ নানা সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আন্তরিকভাবে জানিয়ে দেন নবাগত মহকুমা শাসক অরিন্দম নিয়োগী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলার সংশ্লিষ্ট বিভাগের নোডাল অফিসার, দুটি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, সহ-সভাপতিগণ, নির্বাহী আধিকারিকবৃন্দ এবং উপ শাসক ও উপ সমাহর্তাত্রয় শুভঙ্কর সরকার, গোপাল চন্দ্র রাণা ও সমীর কুমার দাস।

প্রতিবেদক - ভাস্কর জ্যোতি বেরা।

# Please download AVRO Bengali font from 'Useful Links' to avoid difficulty in seeing the report properly.